Thursday, February 26, 2015

নিঃস্বার্থ ত্যাগ আর ভালোবাসার ছোঁয়া

বলুন দেখি, কোন সে প্রিয় জন যার নিঃস্বার্থ ত্যাগ আর ভালোবাসার ছোঁয়ায় তিল তিল করে গড়ে উঠেছে আমাদের জীবন? কে তিনি? যিনি তার সারাটি জীবন নিজের শান্তিকে পীড়িত করে স্নেহের আঁচল বিছিয়ে রেখেছেন

মা-র কোন দিবস নাই

 মা, ইচ্ছে করে তথাকথিত মা দিবসের পর তোমাকে লিখছি। মা দিবস না তুমি বোঝ, না আমি বুঝি। না তুমি আমাকে শুনিয়েছ, না আমি শুনেছি। পেটের দায়ে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, টেলিভিশন ও সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রিত একটি আধা-সভ্য, আধা-ভন্ড, আধা-শিক্ষিত, আধা-বর্বর ও মোটা দাগে অন্ত:সারশুন্য মেকি অহমিকায় ভরা নকলসর্বস্ব

আমারই মা,মা জননি আমারই সুখের ঠিকানা

আমারই মা,মা জননি আমারই সুখের ঠিকানা-মা আমার এক অভিমানী মা- প্যারিস থেকে আমি
আমি আমার মাকে খুব ভালোবাসি। প্রত্যেক সু-সন্তানই তার মাকে ভালোবাসে। সু-সন্তান এজন্য বললাম,আমাদের সমাজে কিছু সন্তান নামক কু-সন্তান আছে যারা তাদের বাবা মাকে ভালোবাসেনা,বা বাবা মায়ের প্রাপ্য অনুযায়ী ভালোবাসা দেয়না।

মা

পৌষ মাসের দুপুরে মেঘের থাবায় আহত রোদে উঠোনে মোড়ায় বসে আরামে চোখ বুজে আছে অখিল। খালি গা, লুঙ্গি পরা। গামছাখানা উরুর ওপর। তার মাথায়-পিঠে খাঁটি সরিষার তেল মালিশ করে দিচ্ছে তেরো বছরের মেয়ে অর্পিতা। মধ্য চল্লিশের অখিল গ্রামের প্রাইমারী স্কুলের হেডমাস্টার। আজ শুক্রবার, ছুটির দিন

স্মৃতিতে মা

ছাত্র জীবনে কিংবা কর্ম জীবনে যখন গ্রামে যেতাম তখন মা কারো কাছে খবর পেয়ে ছুটে আসতেন বহিরাঙ্গিনায়। আঁচল দিয়ে আমার মুখের ঘাম মুছতে মুছতে বলতেন, এতো রোদে এলি কেন বাবা আরেকটু পরে আসতে পারলি না? কখনো মাথায় হাত বুলিয়ে বলতেন, কিরে বাবা এমন শুকিয়ে গেছিস কেন?

মাকে ছাড়া

আমার লক্ষ্মী মা

শামসুর রাহমানের ‘কখনো আমার মাকে‘ কবিতাটি কোনো এক সময়ে সারাক্ষণ গুন গুন করে আওড়াতাম। প্রায় মুখস্ত হয়ে গিয়েছিল। মায়ের কথা মনে করে পড়া নয়, এটা এমনিতেই ভাল লাগতো। বিশেষ কোনো কারণও নেই। একেক সময় একেকটা কবিতা খুব বেশি ভালো লাগে।